October 2020


WhatsApp করোনা মহামারি শুরুতেই ভুয়া খবরের সংখ্যা হুহু করে বেড়েই চলছিলো। এর লাগাম টেনে ধরতে মেসেজ ফরওয়ার্ড করার সময় বিধিনিষেধ আরোপ আরোপ করেছিলো WhatsApp কর্তপক্ষ। সম্প্রতি জনপ্রিয় এই মেসেজিং অ্যাপে ভুয়া  খবর ছড়ানো প্রায় ৭০% শতাংশই কমেছে।

WhatsApp এর মুখপাত্র জানিয়েছে, ”ভাইরাল মেসেজ ছড়ানো বন্ধ করতে আমরা খুব বেশি পরিমাণে যে মেসেজগুলো ফরওয়ার্ড হয় সেই মেসেজ ছড়ানোয় বিধিনিষেধ নিয়ে এসেছিলাম। একসঙ্গে সর্বোচ্চ একটি চ্যাটে এই মেসেজ ফরওয়ার্ড করা যাবে। বিশ্বব্যাপী এই বিধিনিষেধ চালু করার পরই ভুয়া মেসেজ ছড়ানো ৭০% শতাংশ হ্রাস পেয়েছে”।




আমাদের প্রতিবেশি মঙ্গল গ্রহে মিলবে পানি। লাল এই গ্রহের মাটি খুড়লেই মিলবে বরফের আবরণ। সম্প্রতি আমেরিকান জিওগ্রাফিকাল ইউনিয়ন জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণপত্রে মঙ্গলপৃষ্ঠে বরফের সন্ধান মিলেছে। 

গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক সিলভেইন পিকাক্স জানিয়েছেন, “বেলচা ব্যবহার করে মঙ্গলপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১ ইঞ্চি নীচেই বরফ একটি স্থানে খুড়লেই মিলবে বরফ। এর জন্য বেশি খোঁড়াখুঁড়ির প্রয়োজন নেই”


মঙ্গল গ্রহে মহাকাশচারী পাঠানোর পরিকল্পনা করছে নাসা। মঙ্গলপৃষ্ঠে মহাকাশচারী কোথায় অবতরন করবেন সেই জায়গা খুঁজতে গিয়ে অবিশ্বাস্য এ তথ্য মিলেছে। গবেষণায় জানা গিয়েছে মঙ্গল গ্রহের মেরু ও মধ্য-অক্ষাংশের বিস্তীর্ণ  অঞ্চল জুড়ে মাটির নীচে জল রয়েছে, এমনকি নাসাও এমন দাবি করছে। নাসার ফিনিক্স ল্যান্ডার মেরু অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করছে। 



তাপ সংবেদনশীল যন্ত্র ব্যবহার করে মঙ্গলপৃষ্ঠের উষ্ণতা পর্যবেক্ষণ করে মঙ্গলপৃষ্ঠের নীচের বরফ খোঁজার কাজ চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। 


Photo Credit: NASA/JPL-Caltech/ASU

 




বছরের অক্টোবর ও নভেম্বর মাস বার্ষিক আয়কর বিবরণী জমা দেয়ার মৌসুম। প্রত্যেক আয়করদাতাদের আয়কর বিবরণী জমা দেয়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ ই-টিআইএন অন্যান্য কাগজপত্রের সাথে জমা ‍দিতে হয়। ই-টিআইএন হলো আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ। ই-টিআইএন কীভাবে সংগ্রহ করতে হয়? ই-টিআইএন ঘরে বসেই সংগ্রহ করা যাবে। অনলাইনে বিনামূল্যে ই-টিআইএন ইস্যু করে থাকে এনবিআর।


ই-টিআইএন সংগ্রহ করার উপায়ঃ

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনি ই-টিআইএন সংগ্রহ করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে  http://www.nbr.gov.bd এই ঠিকানায় ই-সার্ভিস মেন্যু থেকে ই-টিআইএন ড্রপডাউন মেন্যুতে ক্লিক করলেই ই-টিআইএন রেজিস্ট্রেশন করার পেজ আসবে।  




সরাসরি https://incometax.gov.bd/TINHome ঠিকানায় গিয়েও ই-টিআইএন রেজিস্ট্রেশন করে সংগ্রহ করা যাবে।

রেজিস্ট্রেশন পেজ ফরমের শূণ্যস্থান পূরনে আবেদনকারীর মৌলিক তথ্যাদি উল্লেখ করতে হবে। যেমন নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, বয়স, ফোন নম্বর, ই-মেইল আইডি ইত্যাদি। অনলাইনে ঘরে বসে ই-টিআইএন সংগ্রহ করতে চাইলে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র অবশ্যই লাগবে। কারণ, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই-বাচাই করা হয়। যদি জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে মিল পাওয়া যায় তাহলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই আপনার ই-মেইলে ই-টিআইএন পাঠিয়ে দেয়া হবে।  


যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই কিংবা বিদেশি নাগরিক, এমন ব্যক্তিগণ ই-টিআইএন সংগ্রহ করতে হলে নির্দিষ্ট আয়কর কার্যালয়ে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদনের প্রেক্ষিতে আয়কর কর্মকর্তার সনাতন পদ্ধতিতে যাচাই-বাচাই করে ই-টিআইএন ইস্যু করে থাকেন। 


এছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ই-টিআইএন সংগ্রহ করতে অভিভাবকের টিআইএন, করদাতার ছবি ইত্যাদি লাগবে।


ই-টিআইএন হলো আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক পদ্ধতি। একজন আয়করদাতাকে আয়কর নিবন্ধন নম্বরের মাধ্যমে আয়কর দাতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়। নিবন্ধিত আয়কর দাতা বছর শেষে রির্টান জমা দেয়ার মাধ্যমে বার্ষিক আয়-ব্যয় ও সঞ্চয় বিবরণ দেন।

ই-টিআইএন আরো অনেক কাজে ব্যবহৃত হয়। জমি ক্রয়ে, বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে, গাড়ি ক্রয়ে ও নিবন্ধনের কাজে ই-টিআইএন লাগে। এমনকি ব্যাংকে এফডিআর করেছেন, ই-টিআইএন কপি ব্যাংকের জমা দিলে এফডিআরের সুদের ৫ শতাংশ কম আয়কর কাটা হবে। বিভিন্ন ইনস্যুরেন্স পলিসি করতেও ই-টিআইএন প্রয়োজন। 


 করোনা মহামারীর প্রভাবে দেশে দেশে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু হবে তাও নিশ্চিত নয়।

এই সময়ে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম। আর এই কার্যক্রম আরও সহজ করতে গুগল ব্রেকআউট রুমস নামে নতুন একটি ফিচার চালু করেছে। নতুন এই ফিচারটির মাধ্যমে শিক্ষকরা অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ভিডিও কলের সময় ছোট ছোট গ্রূপে ভাগ করে দিতে পারবেন। ফলে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে সহজে আলোচনা করতেও সক্ষম হবে।

এ ফিচারটি শুধু শিক্ষার সাথে যুক্তদের জন্য সহজলভ্য করা হয়েছে। তবে প্রযুক্তি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষে এটি আরও অনেকের জন্য সহজলভ্য হয়ে যাবে। 


যে কোনো মোবাইল ডিভাইস, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে ফাইল এবং ফাইল ফোল্ডার অনলাইনে আদান-প্রদান, সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনে সংস্করণ করার অন্যতম উপায় হলো গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করা। অতি সহজেই প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসগুলো হ্যাকার কিংবা ভাইরাস আক্রান্ত হওয়া থেকে সুরক্ষিত রাখা এবং কম্পিউটারের হার্ডডিস্কের ক্যাপাসিটি বাড়াতে গুগল ড্রাইভের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয়তা লাভ করছে।

কিন্তু গুগল ড্রাইভের অসংখ্য সুবিধার মাঝে অটো ফাইল ও ফোল্ডার ডিলিট হওয়া একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। গুগল ড্রাইভের অটো ডিলিট ফিচারটি অন থাকলে নির্দিষ্ট সময়ের পর অটো মুছে ফেলবে ইউজারের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল। কিভাবে গুগল ড্রাইভের অটো ডিলিট ফিচারটি বন্ধ করবো?

গুগল ড্রাইভের অটো ডিলিট ফিচারটি বন্ধ করার উপায়ঃ

১. জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে গুগল ক্রোম বা মজিলা ফায়ারফক্স লগইন করুন।

২. বাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিচের লিংকটি  টাইপ করুন, প্রয়োজনে চিত্রের সাহায্য নিন।

https://myaccount.google.com/



৩. মাই অ্যাকাউন্ট.গুগল.কম এ প্রবেশ করার পর লেফ্ট প্যানেল থেকে Data & Personalization 
অপশন ক্লিক করুন।

৪. অ্যাকটিভিটি কন্ট্রোল থেকে Web & App Activity আইটেমে ক্লিক করুন।


৫. স্ক্রীনে Web & App Activity পেইজ থেকে  Auto-delete (On) আইটেমে ক্লিক করুন।



৬. স্ক্রীনে Web & App Activity পেইজ থেকে  Don't-auto-delete রেডিও বাটন নির্ধারণ করুন। Next ক্লিক করুন।


৭. এবার Confirm বাটনে ক্লিক করুন। 


৮. এখন Confirm বাটনে ক্লিক করার কারণে Preference Saved পেইজ স্ক্রীনে আসবে। স্ট্যাটাসে Keeping your web & App activity until you delete manually দেখাবে। এখন Got it বাটনে ক্লিক করুন।


৯. এবার দেখুন সেটিংস Auto-delete (On) থেকে Auto-delete (Off) হয়ে গেছে। 


এই সেটিংস করা ফলে আপনার গুগল ড্রাইভ থেকে অটো আর কোনো ফাইল ডিলিট হবে না।  


আদা প্রাকৃতিক ভেষজ মসলা। নানান রোগ-প্রতিরোধে আদা খুবই কার্যকর। আদায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই, বি কমপ্লেক্স, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সিলিকন, সোডিয়াম, আয়রণ, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম, ও বিটা ক্যারোটিন। 

আদার ভেষজ গুণাগুণঃ

ব্যাথা নিরাময়েঃ

আদা ব্যাথানাশক। অসটিও আর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে শরীরের প্রায় প্রতিটি হাড়ের জয়েন্টে প্রচুর ব্যথা উপসর্গ দেখা দেয়। এই ব্যথা নিরাময়ে আদা খুবই কার্যকর। মাংসপেশির  ব্যথা থেকেও মুক্তি মিলবে আদায়। 

হজমশক্তি বৃদ্ধিতেঃ

হজমে সহায়তাকারী এনজাইমগুলোর কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় আদা। ফলে হজমশক্তি বাড়ে।

ফুসফুসের উপকারীঃ

সর্দি-কাশি ও শ্বাস-প্রশ্বাসের সাধারণ সমস্যাগুলো দূর করে আদা। জ্বর জ্বর ভাব, মাথা ব্যাথা, গলা ব্যাথা, নাক দিয়ে পানি পড়া কমাতে ও শ্বাসতন্ত্র থেকে কফ দূর করতে আদা চা খুবই কার্যকরী।

বমিভাব দূর করেঃ

আদা বমিভাব ও বমির অস্বস্তি দূর করে। গর্ভবতী নারী, সার্জারির রোগী, ক্যান্সারে আক্রান্ত কেমোথেরাপি দেয়া হচ্ছে এমন ব্যক্তি কিংবা ভ্রমণজনিত ক্রান্তিকর বমিভাব দূর করার জন্য আদা অনেক উপকারী।

দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতেঃ

শীতকালে বা ঠান্ডা আবহাওয়ার প্রভাবে অনেকেরই দেহের তাপমাত্রা কমে যায় বা প্রচন্ড ঠান্ডা অনুভতি হয়। এক্ষেত্রে দেহের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় আদার চা পানে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেঃ

ডায়াবেটিস রোগীর সাধারণ অবস্থায় রক্তে  গ্লূকোজের স্তর নিম্নমাত্রায় থাকে যার কারণে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তি নানা ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ে। আদার রস সেবন সেই স্তরের উন্নতি ঘটায়।

ক্ষত শুকাতেঃ

আদায় রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি, যা কাটাছেঁড়া, ক্ষত ভালো করে।

হার্টের সুস্থ্যতায়ঃ

রক্তের অনুচক্রিকা ও হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতে আদা খুবই কার্যকর।

রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেঃ

আদার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান মানবদেহের রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে। দেহে জমে থাকা বিষাক্ত র্বজ্য অপসারণে আদার ভুমিকা রয়েছে। আদা চা দাগপড়া ত্বক সারিয়ে তুলতে কোষ তৈরিতেও সাহায্য করে। বসে কাজ করার অভ্যাস যাদের তাদের রক্তসঞ্চালন প্রায়ই বাধাগ্রস্ত হয়, এ বাধা দূর করে আদা। 





আমাদের স্মার্টফোনটি হারিয়ে বা চুরি হয়ে গেলে সেটা ফেরত পেতে পারি যদি সেই ফোনটির বর্তমান লোকেশন জানা যায়। স্মার্টফোনটি খোয়া যাবার সাথে সাথেই এই কাজটি করা দরকার। না হলে ফোনটি ফেরত পেতে আরো কঠিন উপায় অবলম্বন করতে হবে। সেটা উপায় নিয়ে থাকবে আরেকটি আর্টিকেল।

Android স্মার্টফোনের একটি ফিচার 'Find your phone' ফিচার, এই ফিচারের সাহায্যে গুগল ম্যাপ এর মাধ্যমে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে সহজেই খোয়া যাওয়া স্মার্টফোনের বর্তমান লোকেশন জানা সম্ভব।

যে কোনো Android ফোনেই রয়েছে 'Find your phone' ফিচারটি। আপনার হারিয়ে বা চুরি হয়ে যাওয়া ফোনটি লোকেশন জানতে অবশ্যই  'Find your phone' ফিচারটি অন বা চালু থাকতে হবে। পাশাপাশি স্মাটফোন ও কম্পিউটার বা ল্যাপটবে একই জিমেইল আইডি ব্যবহার করতে হবে এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।

স্মার্টফোনের বর্তমান লোকেশন জানার উপায়ঃ

স্মার্টফোনটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হবার সাথে সাথে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটবে  https://www.google.com/maps/timeline  ভিজিট করুন।

স্মার্টফোনটিতে যে জিমেইল  আইডি ব্যবহার করে লগইন করা আছে, সেই জিমেইল  আইডি দিয়ে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে লগইন করুন।

এখান থেকে হারিয়ে যাওয়া স্মার্টফোনের ঠিক কোন দিনের লোকেশন জানতে চান, তা সিলেক্ট করে গুগল ম্যাপের উপর আপনার স্মার্টফোনের লোকেশন দেখতে পাবেন। know how to track and locate your lost android phone using google maps.

 

আর্থিক লেনদেনে এখন অনেকেই মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করছে। প্রায়ই সময় আর্থিক লেনদেনে অসাবধানতাবশত ভুল নম্বরে টাকা ট্রান্সফার করা হয়। ভুল নম্বরে টাকা পাঠিয়ে সেই টাকা ফেরত না পাবার উদাহরণও রয়েছে বেশ। এ নিয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি মানুষের অভিযোগও কম নয়।

তাহলে ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে সেটা কি আর ফেরত পাওয়া যাবে না?

বিকাশ কর্তৃপক্ষ প্রথমেই যে পরামর্শ দিয়ে থাকে তা হলো, টাকা ভুল নম্বরে চলে গেলে সাথে সাথে ঐ মোবাইল নম্বরে ফোন দেয়া যাবে না। কারণ ভুলবশত অন্য নম্বরে টাকা চলে গেলে, তা ফিরিয়ে দেয়ার মানসিকতা খুবই কম লোকেরই আছে। বরং ফোন পেয়ে সে টাকা উঠিয়ে ফেলবে আর তাতে ভুক্তভোগীর করার কিছুই থাকবে না।

ভুলে কোনো নম্বরে টাকা পাঠানো হয়ে গেলে প্রথমে নিকটস্থ থানায় গিয়ে ট্রানজেকশন নম্বর দিয়ে জিডি করে যত দ্রুত সম্ভব সেই জিডি কপি বিকাশ অফিসে জমা দিয়ে অভিযোগ করা। 

বিকাশ কর্তৃপক্ষ জিডি কপি ও  ম্যাসেজ খতিয়ে দেখবেন। তারপর ভুলে টাকা পাঠানো নম্বরের বিকাশ অ্যাকাউন্ট সাময়িক লেনদেন বন্ধ করে দিবে, যাতে কোনো টাকা তুলতে না পারেন।

বিকাশ কর্তৃপক্ষ স্থগিত অ্যাকাউন্ট পরিচালনাকারি ব্যক্তির সাথে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেবেন এবং ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে যদি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন যে, ওই টাকা তার নয়, তখন বিকাশ অফিস থেকেই ভুলে পাঠানো টাকা নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে স্থানান্তর করে দিবেন।

আর যদি ঐ ব্যক্তি নিজের টাকা বলে দাবি করেন, তাহলে ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে তাকে প্রমাণসহ  অফিসে এসে  অ্যাকাউন্ট ঠিক করে নিতে নির্দেশ প্রদান করবে বিকাশ কর্তৃপক্ষ। এই নির্দেশনা না মেনে পরবর্তী ৬ মাসে ব্যক্তি না আসলে ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা পৌঁছে যাবে। এর পরবর্তী ৬ মাসে না আসলে সাময়িক স্থগিত অ্যাকউন্টটি চিরতরের জন্য অটো ডিজেবল হয়ে যাবে।


এ পরামর্শ শুধু বিকাশই নয়, রকেট এবং নগদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

মশার বংশ খতম করতে এবার প্রযুক্তি কাজে লাগতে কোমড় বেধেঁ নামল পৃথিবীর নামী দুটি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট করপোরেশন ও গুগল।

ডেঙ্গ, ম্যালেরিয়া, জিকা সহ বিভিন্ন মশাবাহিত  রোগ নির্মূলে মাইক্রোসফট, গুগল ও ক্যালিফর্নিয়ার লাইফ সায়েন্সেস প্রতিষ্ঠান ভেরিলি একটি চুক্তি স্বাক্ষরও করেছে। উচ্চ প্রযুক্তির অটোমেশন ও রোবোটিকস ব্যবহার করে জিকা ভাইরাস সহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেবে  এই প্রতিষ্ঠানগুলো। আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে যৌথভাবে তারা উচ্চ প্রযুক্তির যন্ত্রপাতির পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে।

মাইক্রোসফট ও টেক্সাসের হিউস্টন ও হ্যারিস কাউন্টিতে তাদের প্রযুক্তির আধুনিক জালের ব্যবহারও পরীক্ষা চালিয়েছে দেখা গেছে এ জাল আকৃতির ফাদঁটি এডিস মশার সহ অন্যান্য ক্ষতিকর মশা আটক করার ক্ষেত্রে ৮৫ শতাংশই নির্ভুল। আর এ ফাদঁ প্রযুক্তির দাম পড়বে ১০০ ডলার।

Comments System

<--Google--!>

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget