November 2020


গুগল ড্রাইভ (Google Drive) , একটি ক্লাউড বেস ফাইল স্টোরেজ সার্ভিস। জনপ্রিয় টেক জায়ান্ট গুগলে একটি বহুল ব্যবহৃত ও সহজ এবং জনপ্রিয় একটি সার্ভিস, যা ২৪ এপ্রিল ২০১২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়েছিলো। 

গুগল ড্রাইভকে অনলাইন স্টোরেজ বলা যায়। এটি ব্যবহার করে যে কেউ তার গুরুত্বপূর্ণ ফাইল যেমন, ছবি, ভিডিও, ফাইলপত্র, অ্যাপস ইত্যাদি সংরক্ষণ করে রাখতে পারে। পরবর্তীতে যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে গুগল ড্রাইভে সংরক্ষিত ডকুমেন্টগুলো পড়তে এবং ডাউনলোড করা যাবে। 

জনপ্রিয় সকল মেইল সাভির্সগুলোতে ডকুমেন্ট সংযুক্তি করে মেইল পাঠানো যায়। কিন্তু ডকুমেন্টের সাইজ বড় হলে তা মেইল সাভির্সগুলো দ্বারা পাঠানো সম্ভব নয়। তাই যদি ডুকুমেন্টের সাইজ ১০ মেগাবাইট থেকে বড় হয় সেগুলো গুগল ড্রাইভে আপলোড করে সহজেই বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে শেয়ার করা যাবে। 

সকলেই গুগল ড্রাইভের ব্যবহার নিয়ম জানেন, যারা তেমন দক্ষ নন, তাদের জন্যই আজকের এ টিক্সস।


গুগল ড্রাইভের ফাইল সংরক্ষণ করার পদ্ধতিঃ

ধাপ-১ঃ 

প্রথমে লিংকে ক্লিক করে গুগল ড্রাইভের সাইটে প্রবেশ করে জিমেইল আইডি দিয়ে লগইন করুন। গুগল ড্রাইভের লিংকঃ  https://drive.google.com/


ধাপ-২ঃ

সাধারণত, বিষয়বস্তুর মিল রেখে ফোল্ডার অনুয়ায়ী ফাইল আপলোড করা বুদ্ধিমানের কাজ।  এতে অনেক ফাইল ও ফোল্ডার আপলোড হলে খুঁজে পেতে সহজ হবে। 

তাই My Drive আইকনে ক্লিক করে New folder  বাটনে ক্লিক করুন। আপনি চাইলে সরাসরি আপলোড ফাইলস এবং আপলোড ফোল্ডার অপশনে ক্লিক করে আপলোড করতে পারবেন। আপনার স্বাধীনতা। 



ধাপ-৩ঃ

New folder অপশনে ক্লিক করার পর নতুন ফোল্ডারের নাম দিন বিষয়বস্তুর সাথে মিল রেখে। CREATE বাটনে ক্লিক করুন।


ধাপ-৪ঃ

আপনার ড্রাইভে মাত্র তৈরি করা নতুন ফোল্ডারটি দেখতে পারবেন। 


ধাপ-৫ঃ 
এখন আপনি যে ফোল্ডারে ফাইল আপলোড করে সংরক্ষণ রাখতে চান, যে ফোল্ডারে ডাবল ক্লিক করুন। তারপর ফাঁকা জায়গোতে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন। এখন শুধুমাত্র ফাইল আপলোডের জন্য Upload files অপশন ক্লিক করুন। আর যদি গোটা ফোল্ডারই আপলোড করতে চান তাহলে Upload folder অপশনে ক্লিক করুন। 
 

ধাপ-৬ঃ
এবার আপনার কম্পিউটার থেকে প্রয়োজনীয় ফাইলটি সিলেক্ট করে Open  বাটনে ক্লিক করুন।


ধাপ-৭ঃ

ফাইলটি আপলোড শুরু হবে। আপলোড না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।


ধাপ-৮ঃ


ফাইলটি সফলভাবে আপলোড হলে সবুজ টিক চিহৃ নোটিফিকেশন দেখতে পাবেন। 



ধাপ-৯ঃ

ফাইলটি আপলোড হলে আপনার ফাইলটি ড্রাইভের লিস্টে দেখতে পাবেন।


তারমানে গুগল ড্রাইভের ফাইল আপলোড করে সংরক্ষণ করা শেষ। এখন আপনে যে জিমেইল আইডি ব্যবহার করে যে সকল ফাইলগুলো আপলোড করেছেন সেই একই জিমেইল আইডি দিয়ে বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে আপনার আপলোডকৃত ফাইলগুলো পড়তে কিংবা ডাউনলোড করতে পারবেন।


গুগল ড্রাইভের সংরক্ষিত ফাইল কিংবা ফোল্ডারের লিংক শেয়ার পদ্ধতিঃ

বড় সাইজের ফাইলগুলো মেইলের সাথে অ্যাটাচমেন্ট হিসেবে সংযুক্তি না করে আমরা প্রয়োজনীয় বড় সাইজের ফাইলগুলোর লিংক শেয়ার করবো। আর এটাই হলো মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

ধাপ-১ঃ

যে ফাইলটির লিংক শেয়ার করবো সেই ফাইলটি সিলেক্ট করে  মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করবো। তারপর Get link অপশনে ক্লিক করুন।



 ধাপ-২ঃ

চিত্রের নম্বর অনুযায়ী স্টেপ অনুসরণ করতে হবে। ১ নম্বর স্টেপের মানে হচ্ছে, যদি আপনি Restricted অনুযায়ী ফাইলটি শেয়ার করতে চান তাহলে Restricted সিলেক্ট করুন। তারপর ২ নম্বর স্টেপ  Share with people and groups  স্টেপে  ক্লিক করুন। 


ধাপ-৩ঃ

Share with people and groups, মানে ২ নং স্টেপে ক্লিক করার সাথে সাথে স্ক্রীণ চেঞ্জ হয়ে যাবে এখন যাকে ফাইলটির লিংক শেয়ার করেবন তার মেইল অ্যাড্রেস লিখুন। Editor বাটনে ক্লিক করে ৩ টির যে কোনো একটির প্রাইভেসি নির্ধারণ করুন। তারপর Send বাটনে ক্লিক করুন। ব্যস, কাজ শেষ। 


এখন Restricted  অপশনে যাদের Share with people and groups  অপশনে অ্যাড করা হয়েছে শুধুমাত্র তারাই ফাইলটি পড়তে কিংবা ডাউনলোড করতে পারবে। 

পারসনালি এ Restricted অপশনটি ব্যবহার করাই উত্তম। এতে প্রাইভেসি ভালো। সংশ্লিট অ্যাড করা ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ এ ফাইলটি পড়তে বা ডাউনলোড করতে পারবে না।


বর্তমানে অনলাইনে ট্রেনীং কিংবা ওয়ার্কশপ ডুকমেন্টারি অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডকুমেন্ট অনেক জনের সাথে শেয়ার করতে হয় সেক্ষেত্রে Restricted অপশন ব্যবহার না করে সহজে Anyone with the link অপশন ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে। যদি একটি ফাইল অসংখ্য মানুষের সাথে শেয়ার করতে হয়, তখন সহজে ফাইল শেয়ার করার জন্য নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন।

ধাপ-১ঃ

চিত্রের ১ নম্বর স্টেপ অনুযায়ি ড্রপডাউন ম্যেনুতে ক্লিক করে Anyone with the link অপশন নির্ধারন করুন। তারপর ২ নং স্টেপ Copy link বাটনে ক্লিক করে ফাইলটির লিংক কপি করুন। তারপর ৩ নং স্টেপ Done বাটনে ক্লিক করুন। 


এখন আপনে ফাইলটির লিংক সবাইকে জানিয়ে দেয়ার দিন। আপনাদের ফেইসবুক গ্রূপ থাকলে সেখানে লিংকটি পেস্ট দিন। সবাই লিংকে ক্লিক করে ফাইলটির অ্যাক্সেস পেয়ে যাবেন। 

মেইলে যাদের দিতে চান তাদের সবার অ্যাড্রেস লিখে লিংকটি মেইলে বডিতে পেস্ট করে মেইলটি সেন্ড করে দিন। 

এভাবে লিংকটি যে কোন যোগাযোগ মাধ্যমে আপনি পেস্ট করে দিলে সকলেই সেই লিংকে অ্যাক্সেসের সুযোগ পেয়ে যাবেন। 


ফাইল আপলোড, শেয়ারিং সবই হলো এবার প্রাপ্ত মেইল থেকে লিংকে ক্লিক করে কিভাবে ফাইলটি ডাউনলোড করবো তাও নিচে দেখিয়ে দেয়া হলো।

ধাপ-১ঃ

প্রাপ্ত মেইলটি দেখতে পেলে সেটা ওপেন করুন। 



ধাপ-২ঃ

চিত্রের ১ ও ২ নম্বর স্টেপ উভয়ভাবেই ফাইলটির ওপেন ও ডাউন লোড করতে পারবেন। সরাসরি ডাউনলোড করার জন্য ২ নম্বর স্টেপের নিচের দিকে এ্যারেতে ক্লিক করুন। ফাইলটি আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড হয়ে যাবে। 


গুগল ড্রাইভ ব্যবহারে আশা করি আপনার দক্ষতা বাড়বে। 


মোবাইল ফোন এখন আমাদের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল সহায়ক মাধ্যম। মোবাইল ফোন এখন শুধু অডিও কল করার কাজেই  ব্যবহার হচ্ছে না পাশাপাশি ক্যামেরা, ভিডিও রের্কডিং, ডকুমেন্ট আদান-প্রদান, ডকুমেন্ট স্ক্যান ও অফিসিয়াল নানাবিধ কাজে ব্যবহার হচ্ছে। আর ডকুমেন্ট আদান-প্রদানে জিমেইল অ্যাপ ব্যবহার অনেক সময়ই প্রয়োজন হয়। অনেকেই ডেস্কটপ বা কম্পিউটারে জিমেইল ব্যবহারে বেশ দক্ষতার পরিচয় দিলেও মোবাইলে জিমেইল অ্যাপ ব্যবহারে পারদর্শী নয়। তাহলে মোবাইলে জিমেইলের ব্যবহার দেখে নেই।


ধাপ-১ঃ

আপনার মোবাইলে জিমেইল আ্যপটি চালু করুন। জিমেইলে লগইন করা না থাকলে আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।

 

ধাপ-২ঃ

মোবাইলে জিমেইল আ্যপটি চালু হলে স্ক্রীন থেকে নতুন মেইল পাঠানোর জন্য Compose বাটনে টার্চ করুন।


ধাপ-৩ঃ

নতুন মেইল পাঠানোর Compose স্ক্রীণে টু ফিল্ডে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল অ্যাড্রেসটি লিখুন। তারপর Attachment যুক্ত করার প্রয়োজন হলে (জেমস ক্লিপ আইকন) টার্চ করুন।

ধাপ-৪ঃ

এখন Attach file  অপশনে টার্চ করুন।

ধাপ-৫ঃ

এখন স্ক্রীণের মার্ক করা থ্রি লাইন বাটনে টার্চ করুন



ধাপ-৬ঃ

থ্রি লাইন বাটনে টার্চ করার কারণে স্ক্রীণে আপনার মোবাইল ডিভাইসটি দেখতে পারবেন। এখন আপনার মোবাইল ডিভাইসটি টার্চ করলে আপনার মোবাইলের সকল ডাটা ফোল্ডারগুলো দেখতে পারবেন। 

অথবা, আপনি যদি গ্যালারি ছবি বা ডাউনলোড ফাইল নির্ধারণ করতে চান তাহলে গ্যালারি ও ডাউনলোড টার্চ করতে পারবেন। 


ধাপ-৭
আপনার মোবাইল ডিভাইসটি টার্চ করার কারণে আপনার মোবাইলের সকল ডাটা ফোল্ডারগুলো নিচের চিত্রের ন্যায় দেখতে পারবেন। এখন যে ফোল্ডার থেকে ডকুমেন্ট  হিসেবে Attachment যুক্ত করতে চান সেই ফোল্ডারে প্রবেশ করার জন্য একবার টার্চ করুন। 

সাধারণত মোবাইলের ক্যামেরা ব্যবহার করা ছবিগুলো DCIM ফোল্ডারে থাকে। আর ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা ডকুমেন্টগুলো ডাউনলোড ফোল্ডারে থাকে। তাছাড়া আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বাকি ফোল্ডারগুলো থেকেও আপনে ডকুমেন্ট Attachment যুক্ত করতে পারবেন।



ধাপ-৮ঃ
উদাহরনস্বরুপ, আমি মোবাইলের ক্যামেরা ব্যবহার করা ছবিগুলো থেকে Attachment যুক্ত করেছি। তাই DCIM ফোল্ডারে প্রবেশ করে মোবাইলের ক্যামেরা ব্যবহার করা ছবিগুলো থেকে যে কোন একটি ছবি নির্ধারণ করার জন্য টার্চ করেছি। আপনারা আপনাদের প্রয়োজন অনুযায়ী করবেন। 



ধাপ-৯ঃ
হয়ে গেলো Attachment যুক্ত করার কাজ। মেইলটি পাঠানোর আগে আমার যাকে মেইলটি পাঠাবেন তার অ্যাড্রেসটি ঠিকমতো লিখেছেন কিনা যাচাই করুন। সাবজেক্ট লিখে দিতে পারেন, তবে এটা না লিখতেও মেইল পাঠানো যাবে। মেইলের বডিতে কিছু লিখতে চাইলে সেটাও লিখে ফেলুন।

সবকিছু ঠিকমতো হয়ে গেলে মেইল সেন্ড বাটনে টার্চ করুন।


জিমেইল অ্যাপটি মোবাইলে কয়েকবার ব্যবহারে আপনার কাছে বিষয়গুলো খুবই সহজ হয়ে যাবে। 

প্রাইভেসির জন্য চিত্রের কিছু অংশ কালো মার্ক ব্যবহার করা হয়েছে, তার জন্য দুঃখিত।

 


নারী ও শিশুসহ সকল মানুষের জন্য সাইবার ওয়ার্ল্ড নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউটিট সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে  যাচ্ছে। সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সাইবার ওয়ার্ল্ড নিরাপাদ রাখতে দেশে অনেক আইনও রয়েছে। 

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) ১৬ নভেম্বর রোজ সোমবার রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ‘পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন’ ফেসবুক পেইজ উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির হিসেবে এ কথা জানান।


আইজিপি মহোদয় আরো বলেন, বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধীদের প্রধান টার্গেট মূলতঃ নারী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে তারা অপরাধ করছে। তারা নারীদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার জন্য নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে নানা ধরনের ছবি, তথ্য, ভিডিও ইত্যাদি প্রকাশ করে নারীদের হয়রানি করে থাকে। তাই সাইবার ওয়ার্ল্ডে সংঘটিত নারীর প্রতি হয়রানিমূলক অপরাধসমূহের অভিযোগ গ্রহণ, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও আইনি সহায়তা দেয়ার লক্ষ্যে ’পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন’ পেইজ খোলা হয়েছে। এ ইউনিটে শুধু নারী পুলিশ কর্মকর্তারা নিয়োজিত থাকবেন, যাতে সাইবার অপরাধের শিকার নারীরা নিঃসংকোচে তাদের সমস্যার কথা বলতে পারেন। বিস্তারিত জানতে ভিডিও লিংকে ক্লিক করুনঃ

তিনি আরো বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর সাথেও পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন ফেসবুখ পেইজের সংযোগ স্থাপন করা হবে। যাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো অথবা ভিকটিম নারীকে সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে আসা যায়। 

সবাই পেইজের লাইক বাটনে ক্লিক করে সব সময় আপডেট জানতে পারবেন। 

পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন ফেসবুক পেইজের নাম ঃ

Police Cyber Support for Women-PCSW URL: https://www.facebook.com/PCSW.PHQ/

বিস্তারিত জানতে ভিডিও লিংকে ক্লিক করুনঃ https://fb.watch/1Plx2tqCxj/

E-mail: cybersupport.women@ police.gov.bd.

হটলাইন: ০১৩২০০০০৮৮৮।

ছবি ও তথ্য সৌজন্যঃ Police Cyber Support for Women - PCSW



চা এখন শরীরের জন্য ভীষণ প্রয়োজনীয়। অনেকেই চা বলতে চিনি, গুড়ো দুধ আর চাপাতি মিশ্রিত গরম পানীয়কেই সাধারণত চা মনে করে থাকেন। অথচ ডাক্তাররা এমন চা-কে শরীরের জন্য ক্ষতিকর বলছেন। মানুষও আগের ধ্যান-ধারণা থেকে সরে এসেছে। শরীরের জন্য উপকারি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান সমৃদ্ধ চা পানীয়কেই  এখন প্রাধান্য দিচ্ছেন। যা ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য আরো উপকারি।

অকেনেকই গ্রীণ ট্রি, আদা চা, লেবু চা, মসলার চা খেতে ভীষণ পছন্দ করেন। আর এগুলোর গুণাগুণও অনেক। তেমনি এলাচ চা পানের অভ্যাসও শরীরের জন্য ভালো। 

আলাচ চা তৈরির পদ্ধতিঃ

সবুজ এলাচ ৫ টি, দারুচিনি ১ টুকরো, লবঙ্গ ৫ টি ও স্বাদের জন্য আদা কুচি বা লেবুর রস ও চা পাতা মিশিয়ে গরম গরম চা বানাতে পারেন। আর এলাচের দানা গুঁড়ো করে নিবেন। 



উপকারিতাঃ

এলাচের মধ্যে আছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপদান। যা পাচন তন্ত্রের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়।

এলাচে ফাইবার রয়েছে, যা উপকারি কোলেস্টেরল। হার্টকে সুস্থ ও সবল রাখে। তাই সবুজ এলাচের বদলে কালো এলাচের চা বেশি উপকারি।

শীতে ঠান্ডা আবহাওয়াতে সর্দি-কাশি-জ্বরের প্রকোপ কমাতে এলাচ চা উপকারি। যাদের শ্বাসকষ্ট রয়েছে তাদের জন্য উপকারি একটি মসলা হলো এলাচ।

ডিপ্রেশন ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও এলাচের ভূমিকা আছে।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করে ফ্রেশ সতেজতায় রয়েছে এলাচের ভূমিকা।


অবশেষে চালু হলো ভার্চুয়ার সংযোগ অ্যাপ জুমের এন্ড টু  এন্ড এনক্রিপশন। জুমের কার্যনিবাহী প্রধান এরিস এস. ইউয়ান জানান, জুমের প্রস্তাবিত ইটুইই ফেজ, এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশনের মতো নিরাপত্তা দিবে।


জুমে ইতোপূর্বে এইএস ২৫৬ বিট জিসিএম ফর্মে এনক্রিপশন চালু ছিল। কিন্তু তার সমস্যা হলো এর এনক্রিপশনটি জুম দিয়েই জেনারেট হতো। এটিও ব্যবহারকারীকে বাহ্যিক আক্রমন থেকে রক্ষা করতো। এখন এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন চালু হওয়ায় জুমের কোনও সদস্যও এই তথ্য দেখতে পারবে না।

বর্তমানে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন ফিচার চালু হওয়ায় ব্যবহারকারী তার এনক্রিপশন কী জেনারেট করবে। আর এ ফিচারটি জুমের পেইড এবং ফ্রি উভয় ব্যবহারকারীদের জন্যই থাকছে। এখন ব্যবহারকারী চাইলে তার মিটিংয়ের প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি সুনিশ্চিত করে নিতে পারবে।


কম্পিউটারের তথ্য সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি যন্ত্রাংশ হার্ডড্রাইভ। কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার ইনস্টল করা এবং ব্যবহারের জন্য হার্ডড্রাইভ প্রয়োজন। আর এই হার্ডড্রাইভের আয়ুষ্কাল এক সময় ফুরিয়েও যায়। তবে আয়ুর বিষয়টি তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যঘাতসহ নানান বাহ্যিক কারণ রয়েছে।


হার্ডড্রাইভের আয়ুষ্কাল শেষের পথে তা বুঝার বিভিন্ন লক্ষণ আছে। হার্ডড্রাইভ থেকে যদি অবিরত শব্দ শোনা যায়, যা হার্ডড্রাইভের আর্ম, হেড বা এক্যুয়েটর মিলে এ শব্দ সৃষ্টি হয়। হার্ডড্রাইভের এই লক্ষণকে ‘ক্লিক অফ ডেথ’ (Click of Death or COD) বলা হয়। কোনো সফটওয়্যার চালু বা ফোল্ডার খোলার সময় হার্ডড্রাইভের সৃষ্ট শব্দের কারণে তুলনামূলক গতি কম হবে কিংবা কম্পিউটার হ্যাং করবে অথবা Blue screen of Death (BSoD) দেখালে বুঝতে হবে হার্ডড্রাইভের আয়ুষ্কাল প্রায় শেষ। যদি আপনি ক্লিক অফ ডেথ শোনেন তবে হার্ডড্রাইভ সম্পূর্ণরুপে নষ্ট হওয়ার আগে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য অন্যত্র ব্যাকআপ করা উচিত। যদি এটি সময়মতো না করা হয় তবে হার্ডড্রাইভের সকল তথ্য সম্ভবত চিরতরে নষ্ট হয়ে যাবে।


হার্ডড্রাইভ ক্লিক অফ ডেথের কবলে পড়ার সাধারণত কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম বিদ্যুৎ সরবরাহ হঠাৎ বিছিন্ন হওয়া বা বিদ্যুৎ চলে যাওয়া।  আর এই বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যাঘাতের কারণে কম্পিউটার হঠাৎ বন্ধ হওয়াকে আমরা ব্যাড সার্টডাউন বলে অভিহিত করতে পারি। আর একটি ব্যাড শার্টডাউনই যথেষ্ট হার্ডড্রাইভের রেকর্ডিং হেডকে সম্পূর্ণরুপে নষ্ট করার জন্য। তাই কম্পিউটারের সাথে ইউপিএস সংযোগ আবশ্যক। ইউপিএস সংযোগ থাকলে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও কম্পিউটার ইউপিএস থেকে বিদ্যুৎ সরবারাহ পাবে । ফলে কম্পিউটার ব্যাড সার্টডাউন হবে না। বিদ্যুৎ চলে গেলে সাথে সাথেই আপনার ফাইল সেভ করে কম্পিউটার সার্ট ডাইন করে দিন। অনেকে ইউপিসের ব্যাপ থেকে কম্পিউটার চালিয়ে ইউপিএসের ব্যাটারির চার্জ শেষ করে থাকে, এটা খারাপ প্যাকটিস। সাধারণত ৬৫০ ভিএ  ইউপিএসের দাম ২৫০০ টাকা আর ১২০০ ভিএ ইউপিএসের দাম ৪০০০-৪৫০০ টাকা।

অত্যাধিক গরমের কারণেও হার্ডড্রাইভে ক্লিক অফ ডেথ সমস্যার সূচনা ঘটতে পারে। তাই কেসিং এর ধূলো-ময়লা নিয়মিত পরিস্কার করা যাতে কুলিং ফ্যান থেকে বেস্ট পারফরমেন্স পাওয়া যায়।

অতিরিক্ত কম্পনেও এ সমস্যা হতে পারে। তাই হার্ডড্রাইভ সঠিকভাবে কেসিং এ লাগানোর বিষয়টি লক্ষ্য রাখা জরুরি।

সঠিকমানের পাওয়ার সাপ্লাই ব্যবহার না করলেও শুধু হার্ডড্রাইভ নয় কম্পিউটারের যে কোনো যন্ত্রাংশের জন্যই হুমকিস্বরুপ। কম্পিউটার ক্রয়ের ক্ষেত্রে সবারই এ বিষয়টির ব্যাপারে থাকে চরম উদাসীনতা।


হার্ডড্রাইভটি একবার ক্লিক অফ ডেথের শিকার হয়ে গেলে তা মেরামত করা সম্ভব হয় না। দূর্ভাগ্যবশত আপনার যদি ব্যাকআপ থাকে তবে ডেটা পুনরুদ্ধার করার জন্য আপনাকে হার্ডড্রাইভটি মেরামত করতে হবে না। আপনার যদি ব্যাকআপ না থাকে তবে আপনি নিজে তথ্য পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করার জন্য প্রফেশনাল তথ্য পুনরুদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিতে হতে পারে। তবে এটি ব্যয়বহুল এবং এমন কোনো গ্যারান্টি নেই যে প্রতিষ্ঠাটিও হার্ডড্রাইভের সকল তথ্যাদি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবে।


গরম পানি পান অনেকেরই অপছন্দনীয়। মুখরোচক পানীয় নয়, তাই অনেকেই এড়িয়ে যান। অথচ কুসুম গরম পানি পানে রয়েছে নানাবিধ উপকারিতা। 

১) গরম পানি পান করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ভালো ভাবে সর্ম্পন্ন হয়। ফলে শরীরের প্রতিটি স্নায়ুকে সচল থাকে, যা শরীরের বিভিন্ন ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 

২) শরীরে জমাকৃত ক্ষতিকারক টক্সিন বের করে শরীরকে ডিটক্স করে গরম পানি সেবনে যা হজমশক্তিও বৃদ্ধি করে। পাকস্থলী ও অন্ত্রের মাধ্যমে দেহে প্রবেশের সময় হজম প্রক্রিয়ার অঙ্গসমূহ ভালোভাবে হাইড্রেটেড হয়, যার ফলে শরীরের দূষিত পদার্থসমূহ দূর হয় এবং হজমশক্তি বাড়ে।

৩) ঘুমানোর আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানি পান করার অভ্যাস করলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

৪) শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে চাইলে গরম পানি পানে মিলবে সমাধান। গরম পানি সেবন আপনার খিদে কমাতে সাহায্য করবে, ফলে ক্যালোরি ইনটেক  কম হবে, যা দ্রুত ওজন ঝরাতে সহায়ক। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ও রাতে ঘুমানোর আগে গরম পানির সাথে লেবু বা মধু মিশিয়ে সেবনে দ্রুত ফল পাওয়া যাবে।

৫) মেয়েদের প্রিরিয়ড কালীনসময়ে মেনস্ট্রয়াল ক্র্যাম্পের প্রকোপ কমাতে গরম পানি সেবনের কোনো বিকল্প নাই।

৬) গরম পানির সাথে লবঙ্গ, লবন মিশিয়ে সেই পানি পান করলে সাধারণ ভাইরাসজনিত জ্বরে আরাম পাওয়া যাবে।

৭) দাতের ব্যথায় গরম পানির সাথে লবন মিশিয়ে অথবা লবঙ্গ মিশিয়ে কুলকুচি করলে ব্যথা কমে আসবে।

৮) আমরা রিচফুট খাওয়ার পর কোমল পানীয় পান করি, যা স্বাস্থ্যকর নয়। বরং কোমল পানীয় না খেয়ে গরম পানি সেবনই উত্তম।






পুরনো ল্যাপটপ, কয়েক বছর আগে কিনেছিলেন। এখন এই স্লো হওয়া ল্যাপটপে কাজ করলেই বিরক্ত হয়ে যান। নতুন আরেকটি কিনবেন, সেটা করতে চাইলেও গুনতে হবে হাজার হাজার টাকা। কি করবেন? এমন দো-টানায় না থেকে চলুন আপনার পুরাতন স্লো ল্যাপটপে অল্প কিছু টাকা ব্যয় করে সুপার ফাস্ট করে নেই। 


১) র‌্যাম মেমোরী যদি ২ জিবি হয় তাহলে প্রথমেই আরো ২ জিবি র‌্যাম মেমোরী সংযুক্ত করে নিন। সাধারণত ২ জিবি ডিডিআর-২ অথবা ডিডিআর-৩ র‌্যাম মেমোরীর দাম মাত্র ৮০০-১৫০০ টাকার মধ্যেই হয়ে যাবে। 

২) পুরনো ল্যাপটপে নরমাল হার্ড ডিস্ক স্টোরেজ ব্যবহৃত। তাই নরমাল হার্ড  ডিস্কের বদলে সেখানে সাটা এসএসডি (SSD) কিনে লাগিয়ে নিন। 


কারণ, নরমাল হার্ডডিস্ক আরপিএম ৫৪০০, যা ডেস্কটপ হার্ডডিস্কের চেয়েও কম স্পিড হয়ে থাকে। আর সাটা এসএসডি (SSD) ডিস্ক নরমাল হার্ডডিস্কের চেয়ে রিড এবং রাইড স্পিড অনেক বেশি। আর এসএসডি (SSD) হার্ডডিস্ক লাগিয়ে উইন্ডোজ অপরেটিং সিস্টেম ইনস্টল দিয়ে বুঝতে পারবেন পুরাতন স্লো ল্যাপটপ হয়ে গেলো সুপার ফাস্ট। ট্রাই করার পরই বুঝবেন।

১২০ জিবি সাটা এসএসডি  (SSD) হার্ডডিস্কের দাম পড়বে ১৮০০-২১০০ টাকা। ৩৪০ জিবি সাটা এসএসডি (SSD) হার্ডডিস্কের দাম পড়বে ৩০০০-৩৫০০ টাকা।

পুরাতন ল্যাপটপ সুপার ফাস্ট করতে র‌্যাম মেমোরী আর সাটা এসএসডি (SSD) হার্ডডিস্কের মোট দাম ৩০০০-৩৫০০ টাকা খরচ করে যে পারর্ফমেন্স আপনে পাবেন তা দেখে আপনে অবাকই হবেন। 

সাধারণত ৮-১০ বছরের আগে কিনা প্রায় সকল ল্যাপটপেই সাটা পোর্টের নরমাল হার্ডডিস্ক ব্যবহৃত হয়েছে। তারপরও এসএসডি হার্ডডিস্ক কিনার আগে পুরাতন ল্যাপটপের পোর্ট সাটা কিনা?  তা যাচাই করে নেয়া জরুরী।

৩) আর যাদের বর্তমানের ৮/৯/১০ জেনারেশনের ল্যাপটপ নরমাল হার্ডডিস্ক দিয়ে কিনেছেন তাদের উচিত ছিলো কনফিগারেশন যাচাই করা। কারণ যতই আধুনিক মডেলের ল্যাপটপই ক্রয় করে থাকেন না কেনো, আপনার নরমাল হার্ডডিস্ক কনফিগারেশনের ল্যাপটপ ক্রয় সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে মন খারাপের কিছু নাই। ওয়ারেন্টি থাকলে সংশ্লিষ্ট শপ থেকে গিয়ে এম ডট টু এসএসডি (M.2 SSD) লাগিয়ে নেয়া যেতে পারে। এম ডট টু এসএসডি ডিস্ক সাটা এসএসডি ডিস্কে থেকেও স্পিড বেশি।  


এম ডট টু এসএসডি (M.2 SSD) মডেলের ডিস্ক লাগানোর আগে যাচাই করে নিতে হবে যে, আপনার ল্যাপটপে এ ডিস্ক লাগানোর জন্য ল্যাপটপের মাদারবোর্ডের বিল্টইন স্লট আছে কিনা?

আর যদি এম ডট টু এসএসডি (M.2 SSD) ডিস্ক স্লট মাদারবোর্ডে না থাকে সেক্ষেত্রে সাটা এসএসডি (SSD) হার্ডডিস্ক লাগিয়ে নিতেন পারেন। 

মনে রাখা দরকার, এসব আপগ্রেডের কাজ প্রফেশনাল সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে করানোই বুদ্ধিমানের কাজ।




Comments System

<--Google--!>

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget