লাল চালে প্রচুর আঁশ থাকায় শরীরের খারাপ কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে। ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানকে অন্ত্রের কোষের সংস্পর্শে থাকতে বাধা প্রদান করে। লাল চালে সেলেনিয়াম খনিজ পদার্থের উপস্থিতি অন্ত্রের মাঝে ক্যানসারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

লাল চালে ভিটামিন বি-১, বি-৩, বি-৬ এবং ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস ইত্যাদি খনিজ পদার্থ রয়েছে, যা শরীরের জন্য উপকারী।

লাল চালে প্রচুর পরিমাণে এনথ্রোসায়নিন নামক এন্টি অক্সিডেন্ট থাকায় শরীরে প্রদাহ কমায়,  ক্যান্সারের ঝঁকি কমিয়ে দেয় এবং অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। 

গ্লূটেন প্রোটিন লাল চালের ভাতে নাই, তাই গ্লূটিন অ্যালার্জি থাকার জন্য পেট ব্যাথা, ডায়রিয়া, র‌্যাস এবং বমির মতো প্রতিক্রিয়া হতে পারে। গাঁট ফোলা, বাতের ব্যাথা ও টাইপ-১ ডায়াবেটিসের মত অটোইমিউন রোগাক্রান্ত মানুষজন গ্লূটিন প্রোটিন মুক্ত খাবার খেলে উপকৃত পায়।

লাল চালের ভাতে লিগনান্স যৌগসমৃদ্ধ যা হৃদরোগের ঝঁকি কমিয়ে দেয়।

লাল চালে ক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকায় সুস্থ ও মজবুত হাড়, দাঁত গঠনে সাহায্য করার পাশাপাশি গিরা ব্যাথা ও ফোলা এবং শরীরের হাড় ক্ষয়রোগ প্রতিরোধ করে।

লাল চালে গাইসেমিক ইনডেক্স মাত্রা ৫৫ আর সাদা চালে গাইসেমিক ইনডেক্স মাত্রা ৭০। যা ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করেও নিয়ন্ত্রণ রাখার পাশাপাশি ওজনও নিয়ন্ত্রেনে থাকে।

গর্ভবতী ও স্তনদায়ী মায়ের জন্য লাল চাল স্বাস্থ্যকর

অ্যাজমা বা হাঁপানির স্বাসকষ্ট কমানোর পাশাপাশি প্রতিরোধও করে। 

সর্তকতাঃ
আইবিএস আক্রান্ত রোগীদের লাল চালের ভাত এড়িয়ে চলাই ভালো।
কিডনী রোগে আক্রান্ত রোগীদের লাল চালের ভাত খেতে মানা।
ডায়াবেটিস রোগিদের লাল চালের ভাত খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে দেয়। তাই ডায়াবেটিস রোগিদের ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়মিত পরিক্ষা করা খুবই জরুরী।