September 2020

আকাশে মেঘে জমা হওয়া স্থির বিদ্যুৎ ১০ মিলিয়ন ভোল্ট পযর্ন্ত উৎপাদন করতে সক্ষম। আর এই উচ্চ বিভব শক্তি বাতাসের একটি চিকন চ্যানেলকে আয়নিত করে পরিবাহী পথ তৈরি করে থাকে। আমরা জানি, বাতাস বিদ্যুৎ অপরিবাহী। যদিও বজ্রপাতের সময় বাতাসের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়!

ভূ-পৃষ্ঠের মাটি থেকে মাত্র ৩ মাইল দূরত্বের বজ্রপাত গড়ে ১ বিলিয়ন থেকে ১০ বিলিয়ণ জুল বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করতে সক্ষম। আসুন এবার অংক করিঃ

১ টি ১০০ ওয়াট বাল্ব ১ সেকেন্ড জ্বালাতে বিদ্যুৎ খরচ হয় ১০০ জুল। এই হিসেবে, ১০ বিলিয়ন জুল বিদ্যুৎ শক্তি দিয়ে ১০০ ওয়াটের ১ টি বাল্বকে প্রায় ১১৬০ দিন বা প্রায় ৩৯ মাস জ্বালানো সম্ভব।

আরো জানতে চেষ্টা করি, বিদ্যুৎ শক্তি পরিমাপক একক “কিলোওয়াট-আওয়ার” হিসাবে এ শক্তি ২৭ হাজার ৮০০ কিলোওয়াটেরও বেশি আওয়ার। বাংলাদেশের  একটি পরিবারের গড় প্রতি মাসে প্রায় ২০০-২৫০ ইউনিট (কিলোওয়াট-আওয়ার) বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। আর একটি বজ্রপাতের বিদ্যুৎ জমা করলে একটি পরিবার ৯২ মাস বা সাড়ে ৭ বছর বিনা পয়সায় বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবে। 

বজ্রপাত থেকে উৎপন্ন এই অফুরন্ত তড়িৎ শক্তিকে ব্যবহারের উপযোগী করার জন্য বিজ্ঞানীরা নানান গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এই বিদ্যুৎ আতত্তে আনতে মাত্র ১ সেকেন্ড সময় পাওয়া যাবে, কেননা বজ্রপাতের পুরো প্রক্রিয়াটি ঘটে মাত্র ১ সেকেন্ডেরও কম সময়ের মধ্যে।




ওয়েবসাইট পরিচালনা করার জন্য  ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশন করা গুরুত্বপূর্ণ। তাই ডোমেইন রেজিস্ট্রেশনের সময় কিছু বিষয় অবশ্যই অবশ্যই চিন্তা মাথায় রেখে করতে হবে।

১. বাংলাদেশের মানুষ .com ডোমেইন নাম হিসেবে পছন্দ করেন। তাই .com দিয়েই ডোমেইন কিনবেন যদি অন্য কোনো কারণ না থাকে।

২. প্রোভাইডারের কাছ থেকে ডোমেইন কিনার আগে আপনাকে কন্টোল প্যানেল (সি প্যানেল) দিবে কিনা তা জানতে হবে। না দিলে তাদের কাছ থেকে ডোমেইন না কিনাই ভালো। ভবিষতে যখন আপনার সাইট র‌্যাঙ্ক বাড়বে তখন তাদের সার্ভিস চার্জও বাড়াবে, অনেকটা জিম্মি হয়ে যাবেন।

৩. আপনার ক্রয়কৃত ডোমেইন যে কোনো সময় ট্রান্সফার করতে পারবেন কিনা সেটাও জানা অতীব জরুরী। যদি ট্রান্সফার করা যায় তা আপনি তাদের সাহায্য ছাড়া করতে পারবেন সেদিকেও খেয়াল করাটাও গুরুত্বপূর্ণ । না হলে সারা জীবন আটকে থাকবেন।

৪. ডোমেইন ট্রান্সফার করতে চার্জ দিতে হবে কিনা সেটাও জানা জরুরী।

৫. ডোমেইন অক অপশন আছে কিনা জানুন।

৬. ডোমেইন রেজিস্ট্রেশনে যেন আপনার তথ্য ব্যবহার হয় তা নিশ্চিত করুন।

৭. লোভনীয় অফার থাকলে তা জেনে নিন। পরবর্তীতে রিনিউ করার অপশনও। 

৮. কোনো প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীর বা ইন্টারন্যাশনাল ব্যান্ডের কোম্পানির ওয়েবসাইটের সাথে যেনো আপনারটা ডোমেইন নেইম না মিলে।

৯. ডোমেইন নেইম সুন্দর, ছোট পরিসরে হওয়া ভালো।



মোবাইল ফোনের ৫ম জেনারেশন ইন্টারনেটকে সংক্ষেপে ৫ জি  বলা হয়। রেডিও তরঙ্গ অধিক ব্যবহার করে ৫ জি দ্রুত ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে। প্রাথমিকভাবে ৫ জি জেনারেশনের ওয়্যারলেস সিস্টেমে রয়েছে, মিলিমিটার তরঙ্গ ব্যান্ডের প্রণয়ণ (২৪, ২৬,৩৮ এবং ৬০ গিগাহার্টজ) যা প্রতি সেকেন্ডে ২০ গিগাবিট গতি প্রদানে সক্ষম। বহৎ পরিসরে  এমআইএমও (মাল্টিপল  ইনপুট মাল্টিপুট আউটপুট ৬৪-২৫৬ অ্যান্টেনা) যা ৪ জি এর ন্যূনতম ১০ গুণ বেশি কর্মক্ষমতা প্রদানে সক্ষম। লো-ব্যান্ড ৫ জি এবং মিড-ব্যান্ড ৫ জি, ৬০০ মেগাহার্টজ থেকে ৬ গিগাহার্টজ, বিশেষ করে ৩.৫-৪.২ গিগাহার্জ তরঙ্গ ব্যবহার করে থাকে।

মিলিমিটার তরঙ্গ ব্যবস্থা ব্যবহার হয়েছে ডাউনলোডের গতি সর্বোচ্চ ২০ গিগাবাইট প্রতি সেকেন্ড গতি অর্জনের লক্ষ্যে আর এর আনমানিক গড় গতিসীমা ৩.৫ গিগাবাইট প্রতি সেকেন্ড।

এ প্রযুক্তি প্রচলন হলে অনেকটাই অচল হয়ে যাবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের যুগের। দখলে চলে আসবে ৫ জি জেনারেশনের ওয়ারল্যাস ইন্টারনেট জগতের।



করোনা মহামারিতে বিশ্বব্যাপী নানান পরিবর্তনের মধ্যে অনলাইনে পড়াশোনা, ভার্চুয়াল অফিস, ভার্চুয়াল মিটিংসহ প্রায় সকল কাজই হচ্ছে অনলাইনে। তাই ভার্চুয়াল কাজকর্ম শেষ করতে সকলেরই দরকার অন্তত একটি মোবাইল ফোন। কিন্তু অনেকেরই প্রশ্ন কেমন মোবাইল কেনা দরকার?

মোবাইল কিনতে গেলে তাতে দেখে নিতে হবে কয়েকটি বিষয়ঃ

১. মাইক্রোসফট টিম, জুম অথবা গুগল মিট এর মাধ্যমে বেশি ভার্চুয়াল ক্লাস বা মিটিং হচ্ছে। তাই  মোবাইল সেট ৪ জি সার্পোট করবে এমন ফোন কিনুন।

২. অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফোন নেয়াই ভালো। কারণ এর সেটিং ও ফিচার সহজ।

৩. অফিসের ডকুমেন্ট বা শিক্ষার্থীদের স্কুল বা টিউশন থেকে নোট পাঠায়, সেগুলো ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করার দরকার। তাই ফোনের স্টোরেজ বেশি থাকা চাই, অন্তত ৬৪ জিবি।

৪. ব্যাটারি কমপক্ষে ৪০০০-৬০০০ এমএএইচ উত্তম।

৫. ডিসপ্লে স্ক্রিণ এইচডি হলে ভালো হয়।

৬. অক্টোকোর প্রসেসর থাকা চাই।

৭. র‌্যাম ৩-৪ জিবি  থাকা চাই।

৮. ভিডিও লাইভের জন্য ক্যামেরা রেজুলেশন কমপক্ষে ১৩ মেগাপিক্সেল অবশ্যই থাকতে হবে। 

৯. পিকচার রেজুলেশন ৩০০+ পিপিআই (পিক্সেল পার ইনডেক্স) হতে হবে।


উপরের বিষয়গুলো মাথা রেখে মোবাইল কিনতে গেলে কমপক্ষে ১০-১৫ হাজার টাকার মধ্যে মোবাইল কিনতে পারা যাবে।


 


বর্তমান বিশ্বে টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ‘অটোমেটেড টেলারিং মেশিন’ বা এটিএম বুথ। কিন্তু এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার জন্য পিন কোড হিসেবে ৪ সংখ্যার ডিজিট দিতে হয়, কিন্তু এ পিন মাত্র ৪ সংখ্যা কেনো? চলুল প্রশ্নটা উত্তর খুঁজি।

এটিএম মেশিনের উদ্ভাবক বলা হয় স্কটিশ বৈজ্ঞানিক জন অ্যাড্রিয়ান শেফার্ড -ব্যারন। তিনি প্রথমে ৬ সংখ্যার পিনের ব্যবস্থাও করেছিলেন, কিন্তু তার স্ত্রী ক্যারেলিন তাতে বাঁধা দেন। কারণ ক্যারেলিন ৪ সংখ্যার বেশি পাসওয়ার্ড মনে রাখতে পারেন না। ফলে বৈজ্ঞানিক জন অ্যাড্রিয়ান শেফার্ড -ব্যারন ৪ সংখ্যার পিনকে সিলমোহর করে দেন।

পাসওয়ার্ড ব্যবহারে অত্যন্ত সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত। আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ইউজার পাসওয়ার্ড এমন দিবো যাতে সেটা অত্যন্ত কঠর হয়। 


পাসওয়ার্ডের ক্ষেত্রে এটি হবে খুবই জটিল ও গোপন, যা কেউ আন্দাজ না করতে পারে এবং যা  আপনি নিজে সহজে মনে রাখতে পারবেন।

যেমন, Dhaka#thaKi!ami703 



’’নেটওয়ার্কযুক্ত ডিভাইসের সুরক্ষা, ব্যবহারকারীর প্রতিরক্ষা’’ (IF YOU CONNECT IT, PROTECT IT) এ মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে বিশ্বব্যাপী সাইবার সচেতনতা মাস (ক্যাম) অক্টোবর-২০২০ শুরু হচ্ছে ১ অক্টোবর থেকে। 

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ও ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি অ্যালায়েন্সের যৌথ নেতৃত্বে পরিচালিত বৈশ্বিক এ ক্যাম্পেইনের অফিসিয়াল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারন্সে ফাউন্ডেশন (সিসিএ ফাউন্ডেশন)।

সাইবার সচেতনতা মাস (ক্যাম) অক্টোবর-২০২০’ এ জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি সর্ম্পকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি ব্যবহৃত সাধারণ ডিভাইসগুলোর ন্যূনতম নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণের উপায় সর্ম্পকে মানুষকে নির্দেশনা দেয়ার উদ্দেশ্যে গুরুত্বারোপ করে উদযাপন করা হবে। 

এই বছর সাইবার সচেতনতা মাসের কর্মসূচি চার ভাগে বাস্তবায়ন হবে।

১. সংযুক্ত ডিভাইজ ও হোম নেটওয়ার্কের সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলো বোঝা ও মেনে চলা।
২. রিমোট ওয়ার্কারদের ক্ষেত্রে সংযুক্ত ডিভাইসের নিরাপত্তার গুরুত্ব।
৩. ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যখাতে সংযুক্ত ডিভাইসের গুরুত্ব।
৪. ইউজার, প্রফেশনাল এবং পাবলিক ডোমেইনের ক্ষেত্রে সংযুক্ত ডিভাইসের ভবিষ্যত রুপকল্প।



আমরা যারা ডেস্কটপ ব্যবহার করি তার অধিকাংশই UPS ব্যবহার করে থাকি। UPS এর কাজ হচ্ছে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেস্কটপকে বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে কিছু সময় বিদ্যুৎ ছাড়া চলার শক্তি সরবরাহ করা। ডেস্কটপ কি পরিমান লোড নেয় তার উপর ভিত্তি করে UPS কিনতে হয়। সাধারণত 650 1200 VA UPS ডেস্কটপের জন্য ব্যবহার বেশি হয়। VA হিসাবে বা এর অধিক ব্যাটারি থাকে। 

একটি ভাল মানের UPS হালকা লোডে কাজ করলে ১-২ বছর ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়া যায়। ব্যাটারি ব্যাকআপ না দিলে ব্যাটারি পরিবর্তনও করা যাবে। সাধারণত 650 VA UPS  এ ১২ ভোল্টের ১ টি ব্যাটারি এবং    1200 VA UPS এ ১২ ভোল্টের ২ টি ব্যাটারির প্রয়োজন হবে।

সম্পাদনা সহযোগীঃ সাব্বির হোসেন

 


বাল্ক SMS (Bulk SMS) এর প্রয়োজনীয়তাঃ

Bulk SMS এর মাধ্যমে - খুব সহজেই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস ইনফরমেশন, প্রোডাক্ট প্রমোশান, প্রোডাক্টের অফার ইত্যাদি জানানো যায়
Bulk SMS এর মাধ্যমে - -কমার্সের মাধ্যমে পন্য কেনাবেচা ব্যবসার প্রসার করতে সাহায্য করে।

Bulk SMS এর মাধ্যমে - হোটেল রিসোর্ট এর মালিকগন তাদের ক্লায়েন্টদেরকে Booking সম্পর্কিত যে কোন মেসেজ দিতে পারবেন।

Bulk SMS এর মাধ্যমে - কুরিয়ার সার্ভিস যারা দিয়ে থাকেন তারা কাস্টমারদের Delivery Report দিতে পারবেন।

Bulk SMS এর মাধ্যমে -Educational Institute ছাত্রদের পিতা-মাতাকে, অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যেকোন নোটিস SMS এর মাধ্যমে জানাতে পারবে।


Bulk SMS এর আর কি কি সুবিধা আছে:

সময় নির্ধারণ করে এস এম এস পাঠাতে পারবেন। একসাথে যতখুশি নাম্বারে এস এম এস পাঠানো যাবে।
এস এম এস এর ডেলিভারি রিপোর্ট দেখতে পারবেন

 


সকালের নাস্তা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ খাবার। দীর্ঘ ঘন্টা ঘুমের সময় আপনার দেহকে কার্যকরী বিপাক-ক্রিয়া পরিবর্তনগুলি করার প্রয়োজনে পুনরায় জ্বালানি মতো সুষম খাবার খাওয়া  এড়ানো উচিত নয়। 

কার্বোহাইড্রেট, চর্বি এবং প্রোটিনকে আদর্শ পুষ্টির জন্য যেমন দুধের সাথে তাজা ফল, রুটি, টোস্ট সকালের নাস্তার উপদানে সংমিশ্রণ করা ভাল। গ্রীণ ট্রি এক কাপ আরো ভালো হবে।

জলীয়বাষ্প ঘণীভূত হয়ে মেঘে পরিণত হওয়ার সময় এতে প্রচুর স্থির বৈদ্যুতিক চার্জ (electrostatic charge) জমা হয়। মেঘ কিভাবে চার্জিত হয় তা নিয়ে বিজ্ঞানী মহলে বেশ মতভেদ থাকলেও সবচেয়ে প্রতিষ্ঠিত মতবাদ হচ্ছে, পানিচক্রে জলকণা যখন ক্রমশ উর্ধ্বাকাশে উঠতে থাকে তখন তারা মেঘের নিচের দিকের বেশি ঘনীভূত বৃষ্টি বা তুষার কণার সাথে সংঘর্ষের মুখোমুখি হয়। যার ফলে উপরের দিকে উঠতে থাকা অনেক বাষ্প পরমাণু বেশ কিছু ইলেকট্রন হারায়। যে পরমাণু ইলেকট্রন হারায় তা পজিটিভ চার্জে এবং যে পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করে তা নেগেটিভ চার্জে চার্জিত হয়। অপেক্ষাকৃত হাল্কা পজিটিভ চার্জ থাকে মেঘের উপর পৃষ্ঠে এবং ভারী নেগেটিভ চার্জ থাকে নিচের পৃষ্ঠে। যথেষ্ট পরিমাণ পজিটিভ (+) নেগেটিভ (-) চার্জ জমা হওয়ার পর পজিটিভ নেগেটিভ চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণের দরুণ electrostatic discharge প্রক্রিয়া শুরু হয়। discharge তিন ভাবে হতে পারে-

. মেঘের নিজস্ব পজিটিভ (+) নেগেটিভ (-) চার্জের মধ্যে (একে বলা হয় intra cloud বা, IC discharge)।

. একটি মেঘের পজেটিভ (+) কিংবা নেগেটিভ (-) চার্জে সাথে অন্য মেঘের নেগেটিভ (-) কিংবা পজেটিভ (+) চার্জের সাথে (একে বলা হয় cloud to cloud বা, CC discharging)।

৩. মেঘের পজেটিভ (+) চার্জের সাথে ভূমির (একে বলা হয় cloud to ground বা, CG discharging)


Discharge হওয়ার সময় পজেটিভ (+)  চার্জ থেকে নেগেটিভ (-)  চার্জের দিকে বাতাসের মধ্য দিয়ে স্পার্ক আকারে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। ঘটনাই হল বজ্রপাত। বজ্রপাতের শাব্দিক অর্থ হলোভূমিতে বিদ্যুৎ পতিত হওয়া তবে সব বজ্রপাতে ভূমিতে বিদ্যুৎ বা চার্জ পতিত হয় না। শুধু মাত্র CG discharging প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বজ্রপাতে ভূমিতে বৈদ্যুতিক চার্জ পতিত হয়।

Comments System

<--Google--!>

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget