১) র্যাম মেমোরী যদি ২ জিবি হয় তাহলে প্রথমেই আরো ২ জিবি র্যাম মেমোরী সংযুক্ত করে নিন। সাধারণত ২ জিবি ডিডিআর-২ অথবা ডিডিআর-৩ র্যাম মেমোরীর দাম মাত্র ৮০০-১৫০০ টাকার মধ্যেই হয়ে যাবে।
২) পুরনো ল্যাপটপে নরমাল হার্ড ডিস্ক স্টোরেজ ব্যবহৃত। তাই নরমাল হার্ড ডিস্কের বদলে সেখানে সাটা এসএসডি (SSD) কিনে লাগিয়ে নিন।
কারণ, নরমাল হার্ডডিস্ক আরপিএম ৫৪০০, যা ডেস্কটপ হার্ডডিস্কের চেয়েও কম স্পিড হয়ে থাকে। আর সাটা এসএসডি (SSD) ডিস্ক নরমাল হার্ডডিস্কের চেয়ে রিড এবং রাইড স্পিড অনেক বেশি। আর এসএসডি (SSD) হার্ডডিস্ক লাগিয়ে উইন্ডোজ অপরেটিং সিস্টেম ইনস্টল দিয়ে বুঝতে পারবেন পুরাতন স্লো ল্যাপটপ হয়ে গেলো সুপার ফাস্ট। ট্রাই করার পরই বুঝবেন।
১২০ জিবি সাটা এসএসডি (SSD) হার্ডডিস্কের দাম পড়বে ১৮০০-২১০০ টাকা। ৩৪০ জিবি সাটা এসএসডি (SSD) হার্ডডিস্কের দাম পড়বে ৩০০০-৩৫০০ টাকা।
পুরাতন ল্যাপটপ সুপার ফাস্ট করতে র্যাম মেমোরী আর সাটা এসএসডি (SSD) হার্ডডিস্কের মোট দাম ৩০০০-৩৫০০ টাকা খরচ করে যে পারর্ফমেন্স আপনে পাবেন তা দেখে আপনে অবাকই হবেন।
সাধারণত ৮-১০ বছরের আগে কিনা প্রায় সকল ল্যাপটপেই সাটা পোর্টের নরমাল হার্ডডিস্ক ব্যবহৃত হয়েছে। তারপরও এসএসডি হার্ডডিস্ক কিনার আগে পুরাতন ল্যাপটপের পোর্ট সাটা কিনা? তা যাচাই করে নেয়া জরুরী।
৩) আর যাদের বর্তমানের ৮/৯/১০ জেনারেশনের ল্যাপটপ নরমাল হার্ডডিস্ক দিয়ে কিনেছেন তাদের উচিত ছিলো কনফিগারেশন যাচাই করা। কারণ যতই আধুনিক মডেলের ল্যাপটপই ক্রয় করে থাকেন না কেনো, আপনার নরমাল হার্ডডিস্ক কনফিগারেশনের ল্যাপটপ ক্রয় সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে মন খারাপের কিছু নাই। ওয়ারেন্টি থাকলে সংশ্লিষ্ট শপ থেকে গিয়ে এম ডট টু এসএসডি (M.2 SSD) লাগিয়ে নেয়া যেতে পারে। এম ডট টু এসএসডি ডিস্ক সাটা এসএসডি ডিস্কে থেকেও স্পিড বেশি।
এম ডট টু এসএসডি (M.2 SSD) মডেলের ডিস্ক লাগানোর আগে যাচাই করে নিতে হবে যে, আপনার ল্যাপটপে এ ডিস্ক লাগানোর জন্য ল্যাপটপের মাদারবোর্ডের বিল্টইন স্লট আছে কিনা?
আর যদি এম ডট টু এসএসডি (M.2 SSD) ডিস্ক স্লট মাদারবোর্ডে না থাকে সেক্ষেত্রে সাটা এসএসডি (SSD) হার্ডডিস্ক লাগিয়ে নিতেন পারেন।
মনে রাখা দরকার, এসব আপগ্রেডের কাজ প্রফেশনাল সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে করানোই বুদ্ধিমানের কাজ।





Post a Comment